August 1, 2026
f6b272dcbf5a5ba1fed80ad908c806c117853181303681364_original.jpg
Spread the love


কলকাতা: আসন্ন দলীপ ট্রফিতে(Duleep Trophy) পূর্বাঞ্চলের নেতৃত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছে ঈশান কিষাণের(Ishan Kishan) কাঁধে। একই সঙ্গে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বৈভব সূর্যবংশীকে(Vaibhav Sooryavanshi)। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছিল যে মাত্র ১৫ বছর বয়স যে কিশোরের, তাকে এখনই সহ অধিনায়কত্ব দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্কোয়াডে অভিমন্যু ঈশ্বরণ, মহম্মদ শামি ও মুকেশ কুমারের মত তারকা ক্রিকেটার থাকতেও বৈভবকে ঈশানের ডেপুটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন এবার পূর্বাঞ্চলের নির্বাচক মণীশ বর্ধন বলেন, ‘আমরা ভেবেচিন্তেই বৈভবকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছি। আমরা মনে করি ও খুব কাছ থেকে ঈশানকে দেখতে পারবে। ঈশানের সিদ্ধান্তগুলো সম্পর্কে আলোচনা করতে পারবে। কীভাবে একটা দল চালনা করা হয়, তা বুঝবে। কারণ এত ওর নিজের জন্যই ভাল। আরও বেশি করে দলের গ্রুপের সঙ্গে মিলে যেতে পারবে।’ বৈভব কিছুদিন আগেই জিম্বাবোয়ে সফরে খেলে এসেছে জাতীয় দলের জার্সিতে।

মণীশ বর্ধন আরও বলেন, ‘সহ অধিনায়কের দায়িত্ব কোনও পদ মর্যাদার লড়াই নয়। এই দায়িত্ব বৈভবকে আরও নিজের গুরুত্ব বোঝাতে সাহায্য করবে দলে। দলের প্লেয়ারদের সঙ্গে নীবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠবে ওর। আমরা মনে করি যে ওর মধ্য়ে সেই ক্ষমতা রয়েছে। ও নিজে ভবিষ্যতে ক্যাপ্টেন হতে পারে। তার শুরুটা এভাবেই হওয়া উচিৎ।’ ঝাড়খণ্ডের নির্বাচক কমিটির সদস্য মনে করেন বৈভব একজন প্রতিভাময় সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার যে আগামীতে দেশের জার্সিতে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলবে। তাই দেশকে নেতৃত্বে দেওয়ার সুযোগও চলে আসতে পারে বৈভবের সামনে।

 

গত বুধবার বুধবার বিকেলে ইডেন গার্ডেন্সে পূর্বাঞ্চল দল বেছে নেওয়ার বৈঠক বসেছিল। বাংলার নির্বাচকদের মধ্যে সেই বৈঠকে ছিলেন দিব্যেন্দু চক্রবর্তী। এছাড়া ঝাড়খণ্ডের নির্বাচক মণীশ বর্ধন, ওড়িশার প্রভঞ্জন মল্লিক, ত্রিপুরার অলোক সাহা ও বিহারের অনন্ত প্রকাশ বৈঠকে ছিলেন। ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেন অসমের নির্বাচক সুমিত রঞ্জন দাস। ছিলেন সিএবির সচিব বাবলু কোলে, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস। পরে নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলেন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks