July 13, 2026
bec863c5b3dd7a8773c84e0f1bf257001783932518280170_original.jpg
Spread the love


প্রয়াত বিখ্যাত অভিনেতা স্যাম নীল (Sam Neill) । ‘জ্যুরাসিক পার্ক’ খ্যাত নিউজিল্যান্ডের এই অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। ওই সিনেমায় ড. অ্যালান গ্র্যান্টের ভূমিকায় তাঁর অভিনয় চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। সোমবার তাঁর ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি পোস্ট করে এবিষয়ে জানায় অভিনেতার পরিবার। 

সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে তাঁর পরিবারের তরফে লেখা হয়, “অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে স্যাম নীল-এর পরিবার তাঁর প্রয়াণের খবর জানাচ্ছে। তিনি সোমবার, ১৩ জুলাই অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁর পাশে ছিলেন এবং তিনি এমন মর্যাদাপূর্ণভাবে বিদায় নিয়েছেন, যা তাঁর সমগ্র জীবনেরই বৈশিষ্ট্য ছিল।” আরও লেখা হয়, “এই ক্ষতি আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত, তবে একটি স্বস্তির বিষয় হল যে স্যাম ক্যানসারমুক্তই ছিলেন। সেন্ট ভিনসেন্টস প্রাইভেট হাসপাতালের কর্মীরা যে অসাধারণ সেবা ও যত্ন দিয়েছেন, তার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। তবে আপাতত, এই অপূরণীয় ক্ষতির মুহূর্তে পরিবারের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য সকলের কাছে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”

স্যাম নীল পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রাণঘাতী নন-হজকিন লিম্ফোমার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন যে, কেমোথেরাপি কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার পরেও তিনি ক্যান্সার থেকে সেরে উঠেছিলেন।

চলতি বছরের এপ্রিলে অস্ট্রেলিয়ার একটি টিভি সাক্ষাৎকারে স্যাম জানিয়েছিলেন যে তিনি এখন ক্যান্সারমুক্ত। অস্ট্রেলিয়ার ‘চ্যানেল সেভেন নিউজ’-এর সঙ্গে আলোচনায় এই অভিনেতা জানান, একটি জিন থেরাপির মাধ্যমে তাঁর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার ফলেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তিনি আরও জানান যে, একপর্যায়ে তাঁর কেমোথেরাপি চিকিৎসা আর কাজ করছিল না। তিনি বলেন, “আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম এবং মনে হচ্ছিল যেন মৃত্যুর পথে এগিয়ে যাচ্ছি—যা নিশ্চিতভাবেই কোনও কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ছিল না।”

স্যাম সর্বপ্রথম ‘স্লিপিং ডগস’ (১৯৭৭) সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। এরপর তিনি ‘অ্যাটাক ফোর্স জেড’ (১৯৮২), ‘ডেড কাম’ (১৯৮৯), ‘দ্য পিয়ানো’ (১৯৯৩), ‘ইন দ্য মাউথ অফ ম্যাডনেস’ (১৯৯৪) এবং ‘ইভেন্ট হরাইজন’ (১৯৯৭)-এর মতো চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। জ্যুরাসিক পার্ক’ (১৯৯৩) সিনেমায় ড. অ্যালান গ্র্যান্টের চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকা হয়ে ওঠেন। পরবর্তীকালে তিনি ‘জ্যুরাসিক পার্ক ৩’ (২০০১) এবং ‘জ্যুরাসিক ওয়ার্ল্ড ডমিনিয়ন’ (২০২২) চলচ্চিত্রেও একই চরিত্রে অভিনয় করেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks