April 23, 2026
8f3e6b26d04a7ff48d4fcd4e4455d2741776885200642507_original.jpg
Spread the love


লখনউ: প্রথম ম্য়াচে হারের পর নাগাড়ে দুই ম্যাচ জিতে কামব্যাক ঘটিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে হারের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল তারা। তবে তারপর থেকে নাগাড়ে হেরেই চলেছেন ঋষভ পন্থরা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে (LSG vs RR) ১৬০ রানও তাড়া করতে ব্যর্থ লখনউ। জলে গেল মহম্মদ শামির নিখুঁত বোলিং ও মিচেল মার্শের লড়াকু অর্ধশতরান। জোফ্রা আর্চার, ব্রিজেশ শর্মা ও নান্দ্রে বার্গার, ফাস্ট বোলারত্রয়ীর আগুনে বোলিংয়ে ভর করেই ৪০ রানে ম্যাচ জিতে নিল রাজস্থান রয়্যালস।

এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঋষভ পন্থ। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন মহম্মদ শামি ও মহসিন খান। গোটা টুর্নামেন্টেই বৈভব সূর্যবংশী ও যশস্বী জয়সওয়ালের আগ্রাসী ওপেনিং জুটি প্রতিপক্ষদের বিপাকে ফেলেছে। শামি এদিন সেই ওপেনিং জুটিই ভাঙেন। তিনি নিজের দ্বিতীয় ওভারে ছন্দে দেখানো যশস্বীকে ২২ রানে ফেরান। ঠিক তারপরেই আরও এক দুরন্ত বল। আরও এক উইকেট। এবার তাঁর শিকার হন আরেক ইনফর্ম ব্যাটার ধ্রুব জুড়েল। খাতা খোলার আগেই তাঁকে সাজঘরে ফিরতে হয়। 

এরপরে পালা ছিল মহসিনের। প্রথম বোলার হিসাবে তিনি বৈভবের বিরুদ্ধে মেডেন ওভার বল করেন আর ওভারের শেষ বলে বৈভবকে মাত্র আট রানে সাজঘরে ফেরান। রাজস্থানের শক্তিশালী টপ অর্ডারকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে রাজস্থানকে চাপে ফেলে দেয় লখনউ। যে রাজস্থান পাওয়ার প্লেতে দুরন্ত গতিতে রান তোলার জন্য বিখ্যাত, সেই রাজস্থান কি না এই ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৪৪ রান তোলে। রিয়ান পরাগ (২০), শিমরন হেটমায়ার (২২) ডোনাভন ফারেইরারা (২০) শুরুটা ভাল করেও কেউই না তো বড় রানের ইনিংস খেলতে পারেন, না রানের গতি বাড়াতে সক্ষম হন। তবে এদিন রবীন্দ্র জাডেজা লড়েন। তিনি ৪৩ রানের ইনিংস খেলে রাজস্থানকে ১৫০-র গণ্ডি পার করতে সাহায্য করেন। রাজস্থানের ইনিংস থামে ছয় উইকেটে ১৫৯ রানে।

আপাত অর্থে এই রান খুব একটা বেশি ছিল না। তবে রাজস্থান বোলাররাও ছাড়ার পাত্র নয়। শামি, মহসিনের পাল্টা দেন বার্গার ও আর্চার। শুরুতেই তাঁরা দুই উইকেট তুলে নেন। ঋষভ পন্থ, আয়ুষ বাদোনিরা তো খাতাই খুলতে পারেননি। নিকোলাস পুরানও রানের গতি বাড়াতে ব্যর্থ হন। ২৫ বলে ২২ রানে তিনি সাজঘরে ফেরেন। মিচেল মার্শ একপ্রান্তে কুম্ভ হয়ে একাই লড়ছিলেন। ৩৯ বলে অর্ধশতরানও করেন তিনি। কিন্তু অজ়ি তারকাকে বার্গার সাজঘরে ফেরাতেই তাসের ঘরের মতো ভাঙে লখনউ ব্যাটিং। মাত্র ১৪ রানের ব্যবধানে শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রানে অল আউট হয়ে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। আর্চার তিন ও ব্রিজেশ এবং বার্গার দুইটি করে উইকেট নেন।  



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks