July 13, 2026
a2e2e5a49c4e08d6128d108fc4f250c21775102735696240_original.png
Spread the love


Share Market Crash :  আশঙ্কাই সত্যি হল ! নতুন করে আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের (US-Iran War) প্রভাব পড়ল বিশ্বের শেয়ার বাজারে (Indian Stock Market)। বড় ধস নেমেছে ইন্ডিয়ান স্টক মার্কেটে। বাজার খুলতেই ৭০০ পয়েন্ট পড়েছে সেনসেক্স (Sensex)। ২৪,০০০ পয়েন্টে ছুঁয়ে ফেলেছে নিফটি ৫০ (Nifty 50)। এই ৫ কারণে আজ ধস মার্কেটে। 

২ লাখ কোটি টাকা উধাও 
সোমবার বাজার খুলতেই বিপুল ধসের সাক্ষী হয়েছে ভারতের শেয়ার বাজার। আজকের এই বড় পতনে মাত্র কয়েক ঘণ্টাতেই লগ্নিকারীদের প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে। এই ৫ কারণে আজ পড়েছে মার্কেট। 

১ ফের আমেরিকা-ইরান সংঘাত
সম্প্রতি ইরানে সরাসরি হামলা করে আমেরিকা। এরপরই আমেরিকার বিভিন্ন দেশে থাকা সেনা ছানিতে হামলা চালায় তেহরান। পাশপাশি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। এই যুদ্ধের আবহ বিশ্বজুড়ে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

২ অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি
ইরান-আমেরিকা এই যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম এক ধাক্কায় ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। ব্যারেল প্রতি ৭৯ ডলার ছাড়িয়ে গেছে তেলের দাম। এরফলে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়বে ভারতের মতো দেশ। কারণ, আমাদের দেশ প্রয়োজনীয় খনিজ তেলের প্রায় ৮৫-৯০% আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়লে ভারতের রাজকোষের ওপর চাপ বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম ৯০ ডলারের নীচে থাকা পর্যন্ত বড় বিপদের ঝুঁকি কম, কিন্তু তা ৯০ ডলার পেরিয়ে গেলে বাজারে আরও বড় ধস নামতে পারে।

৩ ইন্ডিয়া ভিক্স ১০ শতাংশ লাফাল
শেয়ার বাজারের অস্থিরতা বা লগ্নিকারীদের ভয়ের সূচক হলো ‘ইন্ডিয়া ভিক্স’। আজ এটি এক ধাক্কায় ১০% বেড়ে গেছে। গত ৭ই জুলাই যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছিল, তখন এই সূচকটি ৫ মাসের সর্বনিম্নে (১১.০৫) নেমেছিল। কিন্তু নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় লগ্নিকারীদের মধ্যে প্যানিক সেলিং বা আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রির ধুম লেগেছে।

৪ মার্কিন ডলার ও বন্ডের ইল্ড বৃদ্ধি
বিশ্ব বাজারে মার্কিন ডলার সূচক ০.৩০% শক্তিশালী হয়েছে এবং আমেরিকার ১০ বছরের বন্ডের ইল্ড বেড়ে ৪.৫৮%-এ পৌঁছেছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ যদি সুদের হার বাড়ায়, তবে ডলার আরও শক্তিশালী হবে। এর ফলে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা (FII) ভারতের মতো উদীয়মান বাজার থেকে টাকা তুলে আমেরিকার নিরাপদ বন্ডে বিনিয়োগ করতে শুরু করে, যা ভারতের বাজারের জন্য নেতিবাচক।

৫ টেকনিক্যাল ফ্যাক্টর ও ২৪,০০০ পয়েন্টে নিফটি
আজ নিফটি ৫০ সূচকটি ২৪,০০০ পয়েন্টের নিচে নেমে গিয়েছিল, যা বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তর (Support Level)। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, নিফটি যদি ২৪,০০০-এর নিচে স্থায়ীভাবে চলে যায়, তবে এটি আগামী দিনে ২৩,৮০০ থেকে ২৩,৫০০ পয়েন্ট পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। গত ১৫ই জুন থেকে বাজার একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে ওঠানামা করছে, যা আগামী দিনেও বজায় থাকতে পারে।

আরও পড়ুন : সেভিংস অ্যাকাউন্টে কে দিচ্ছে সবথেকে বেশি সুদ ? SBI, HDFC না পোস্ট অফিসে পাবেন সর্বোচ্চ রেট ?

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks