June 10, 2026
09457a7aefa1e4dd58c398627c70ed2d1780862108792394_original.jpg
Spread the love


Rajesh Exports On SEBI Case : কোম্পানির বিরুদ্ধে ১৫ লাখ কোটির হিসেবে কারচুপির (Scam) অভিযোগ নিয়ে এবার বড় বয়ান দিল রাজেশ এক্সপোর্টস (Rajesh Exports) । যা নিয়ে নতুন করে তৈরি হতে পারে বিতর্ক। জেনে নিন, সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঠিক কী বলেছেন রাজেশ এক্সপোর্টের চেয়ারম্যান।

সেবি নিয়ে কী দাবি করেছে রাজেশ এক্সপোর্ট

 এবার SEBI-র বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি করলেন ‘রাজেশ এক্সপোর্টস’-এর চেয়ারম্যান রাজেশ মেহতা। দেশের অন্যতম বৃহৎ সোনা পরিশোধক ও গয়না রফতানিকারী এই সংস্থার দাবি, হিসাবনিকাশের একটি মস্ত বড় ভুলের কারণে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি তাদের বিরুদ্ধে আয় বাড়িয়ে দেখানোর ভুল অভিযোগ এনেছে। এমনকি সংস্থার পক্ষ থেকে সেবি-কে ৩০০ থেকে ৪০০ জিবি (GB) নথিপত্র পাঠানো হলেও, নিয়ন্ত্রক সংস্থা আসল ফাইলগুলো খুঁজেই পায়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

পিটিআই (PTI)-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাজেশ মেহতা বলেন, “আমরা সেবি-কে লক্ষ লক্ষ পাতার প্রায় ৩০০-৪০০ জিবি নথি দিয়েছিলাম। আমার মনে হয় তারা সঠিক নথিপত্রগুলি মিস করে গেছে। আর সেই কারণেই এই বিশাল বিভ্রান্তির তৈরি হয়েছে।”

কী নিয়ে আসল বিতর্ক ?
গত ৩ জুন সেবি একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশিকায় অভিযোগ তোলে, ২০২১ থেকে ২০২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে রাজেশ এক্সপোর্টস প্রায় ১৫.১৫ লক্ষ কোটি টাকার ভুয়ো আয় (Revenue) বা টার্নওভার বাড়িয়ে দেখিয়েছে।

এই অভিযোগের পাল্টা মুখ খুলেছে রাজেশ এক্সপোর্ট। মেহতা জানিয়েছেন, সেবি আসলে সংস্থার EBITDA (Earning Before Interest, Taxes, Depreciation, and Amortization) অর্থাৎ ‘গ্রস প্রফিট’-কে ভুল করে মোট আয় বা ‘রেভিনিউ’ ভেবে বসে আছে।

একটি সহজ উদাহরণের মাধ্যমে মেহতা বিষয়টি স্পষ্ট করেন:

“ধরুন, একজন গ্রাহক ৩০,০০০ টাকার গয়না কিনলেন। এখানে বিক্রি হওয়া এই ৩০,০০০ টাকা হল রেভিনিউ বা আয়। এর মধ্যে গ্রস প্রফিট (EBITDA) হয়তো ১,০০০ টাকা ও নেট প্রফিট (নিট লাভ) ৫০০ টাকা। সেবি ৫০০ টাকার নেট প্রফিট নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলেনি, ওটা তারা মেনে নিয়েছে। কিন্তু গোলমাল পাকিয়েছে ১,০০০ টাকার গ্রস প্রফিট নিয়ে, ওটাকেই তারা ভুল করে মোট আয় বা রেভিনিউ বলে ধরে নিয়েছে।”

তার দাবি, সংস্থার বুলিয়ন (সোনার বার) ব্যবসার ক্ষেত্রেও একই ভুল করা হয়েছে। ১০০ টাকায় সোনা কিনে ১০১ টাকায় বিক্রি করলে যে ১ টাকা লাভ হয়, সেবি সেই ১ টাকাকেই রেভিনিউ মনে করেছে।

আয় বাড়িয়ে দেখানোর কোনও লাভ নেই, বলছেন মেহতা
এই বিষয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান প্রশ্ন তোলেন আরও একটি বিষয় নিয়ে। কোনও কোম্পানি কেন শুধু-শুধু নিজের আয় বাড়িয়ে দেখাতে যাবে ? তার বক্তব্য, কোনও সংস্থা যদি জালিয়াতি করতেই চায়, তবে তারা নিজেদের ‘বটম লাইন’ বা আসল মুনাফা (Profit) বাড়িয়ে দেখাবে, যাতে শেয়ার বাজারে সুবিধা পাওয়া যায়।

শুধু শুধু কাগজের ওপর বিক্রি বা ‘টপ লাইন’ (Top Line) বাড়িয়ে দেখানোর কোনও মানেই হয় না, কারণ এতে কোম্পানির কোনও বৈষয়িক লাভ নেই। আইন অনুযায়ী কোনও কোম্পানি তার বিক্রি লুকোতে পারে না, তাই নিয়ম মেনেই সমস্ত খতিয়ান পেশ করা হয়েছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে
রাজেশ মেহতা জানিয়েছেন, সেবি-র অর্ডারটিতেও ‘আমরা অনুমান করছি’ বা ‘আমাদের সন্দেহ হচ্ছে’ এই ধরণের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, অর্থাৎ কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তারা এখনও পৌঁছায়নি। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেবি-র চাওয়া সমস্ত নথিপত্র আবারও জমা দিয়ে এই বিভ্রান্তি দূর করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন : ১৫ লাখ কোটির কেলেঙ্কারিতে বাজার থেকে নিষিদ্ধ রাজেশ এক্সপোর্ট, ঝুঁকির মুখে LIC-র টাকা ! বিপাকে কানারা ব্যাঙ্ক



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks