April 19, 2026
a77b8071b8b6173aff7153e99ba72ba2177661006552950_original.jpg
Spread the love


সন্দীপ সরকার, কলকাতা: তিনি রহস্য স্পিনার। তাঁর বলের ধাঁধা বিভ্রান্ত করে দিত ব্যাটারদের। টি-২০ বিশ্বকাপেও তিনি যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।

তবে বিশ্বকাপের শেষ পর্ব থেকেই সময়টা ভাল যাচ্ছে না বরুণ চক্রবর্তীর (Varun Chakravarthy)। রান খরচ করছিলেন। আইপিএলেও প্রথম দিকে উইকেট পাননি। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো হয়ে দাঁড়ায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচ। ইডেনে সেই ম্যাচে অভিষেক শর্মার ক্যাচ ধরতে গিয়ে আঙুলে চোট পান। মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল। ফিরে এসে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন বরুণ। রবিবার ইডেনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়ের অন্যতম কারিগর। ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে তিন উইকেট। ম্যাচের সেরাও বরুণ।

ম্যাচের শেষে যিনি দিলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানালেন, ম্য়াচ জেতার পরে কেকেআর ড্রেসিংরুমে অনেকে কাঁদছিলেন!

নাটকীয় ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে ৪ উইকেটে হারানোর পর সাংবাদিক সম্মেলনে বরুণকে জিজ্ঞেস করা হয়, এই জয়টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? বরুণ বলেন, ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজ আমি অনেক চোখের জল দেখেছি। যা আমরা ২০২৪ সালে আইপিএল জেতার সময়ও দেখিনি।’ ড্রেসিংরুমে? বরুণ বলেন, ‘হ্যাঁ, ড্রেসিংরুমেই।’

টি-২০ বিশ্বকাপে আমদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের ম্যাচ থেকে শুরু। প্রচুর রান খরচ করেও উইকেট পাচ্ছিলেন না। তাঁর ফর্ম নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে সামলেছেন? বরুণ নির্লিপ্ত। বললেন, ‘আজ আমি তিনটি উইকেট নিয়েছি বলে বড় কিছু বলতে চাই না। এটাই খেলার ধরন। পরের ম্যাচে যদি পিচে কিছু না থাকে, তাহলে সব স্পিনারের সঙ্গেই এরকম হবে। শুরুতে দেখেছেন, সব স্পিনারই মার খাচ্ছিল। পিচ মন্থর হতে শুরু করলে তখনই আমরা খেলায় ফিরি, বেশি কার্যকরী হই। তাই এটা খেলারই অংশ। আমি এসব নিয়ে বেশি ভাবি না।’

কেকেআর কি ব্যাট করতে নেমে শুরুতে একটু বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে গেল, এটা কি চাপ না তাড়াহুড়ো? বরুণের জবাব, ‘হ্যাঁ, অনেক কারণ থাকতে পারে। আমরা জিতছিলাম না। বাইরে অনেক কথা হচ্ছিল, যা খেলোয়াড়দের প্রভাবিত করে। কিন্তু আজ আমরা ভাল দিকেই শেষ করেছি, ম্যাচ জিতেছি। উন্নতির জায়গা অনেক আছে। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই আমাদের অনেক চোটআঘাত ছিল, যা আমাদের শক্তি কমিয়ে দিয়েছিল। তাই কোচিং স্টাফ, বিশেষ করে প্রধান কোচ অভিষেক নায়ারকে কৃতিত্ব দিতে চাই। এমন অবস্থায় দল সামলানো খুব কঠিন, সাহস লাগে। উনি কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তুলেছেন। সময় লাগবে। ধীরে ধীরে, ছোট ছোট পদক্ষেপে এগোতে হবে। আমরা আবার ঠিক পথে ফিরব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks