June 16, 2026
e7fb7509a128a5e53a236e2b7ac065461781591396351170_original.jpg
Spread the love


পালু : ভয়ঙ্কর। তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার একাংশ। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৬.৭। তারপরেও বেশ কয়েকবার কম্পন অনুভূত হয়। এক মিনিটের বেশি কম্পন স্থায়ী হল ইন্দোনেশিয়ার পালু শহরে। সেন্ট্রাল সুলাওয়েসি প্রদেশের এই শহরে ৪ লক্ষ মানুষের বসবাস।

ভূমিকম্পের মুহূর্তের একাধিক ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, কীভাবে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন সেই সময়। বিভিন্ন জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এসেছে। এতটাই জোরাল কম্পন অনুভূত হয় যে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে রোগীদেরও বের করে আনা হয়। একটি ভিডিওয় দেখা যায়, হলের মধ্যে সিলিং খসে পড়ছে। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করছেন মানুষজন। বাইরেও একইভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল। কেউ কেউ প্রাণভয়ে দিলেন ছুট। যদিও প্রাণহানির কোনও খবর সামনে আসেনি।

গত এপ্রিল মাসেও ইন্দোনেশিয়ায় ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে সে সময় কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.৪, এমনই জানায় US Geological Survey (USGS)। ভূমিকম্পের এপিসেন্টারের ১০০০ কিলোমিটারের মধ্যে সুনামি হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করে একটি মার্কিং মনিটরিং সেন্টার। ভূমিকম্পের এপিসেন্টারের ৬২১ মাইলের মধ্যে ভয়ঙ্কর সুনামি ঢেউ দেখা যেতে পারে বলেও জানায় ওই সংস্থা। ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৪৮ মিনিটে (2248 GMT বুধবার) অনুভূত হয়েছিল ভূমিকম্প। Molucca সাগরের ৩৫ কিলোমিটার গভীরে প্রথম অনুভূত হয় কম্পন। Ternate নামের একটি ছোট দ্বীপের কাছে রয়েছে এই Molucca সাগর। সেখানে ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানায় US Geological Survey (USGS)। অনেকে আবার বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে মাত্রা ৭.৬ এবং এই ভূমিকম্পের জেরে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়।

২০২৩ সালেও একটি বড় ভূমিকম্প ঘটেছিল ইন্দোনেশিয়ায়। তবে তাতে বড় কোনও ক্ষতি হয়নি। ঠিক ১০ বছর আগে ২০১৬ সালে ভয়ানক এক ভূমিকম্পে বহু প্রাণহানি ঘটেছিল এই দেশে। ঘুমের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় শতাধিক জীবন ! ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই সব কিছু তছনছ হয়ে যায়। চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল ধ্বংসের চিহ্ন। বিধ্বংসী ভূমিকম্পের কবলে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা। তার আগে ২০০৪ সালেও ভয়াবহ ভূমিকম্প ঘটে ইন্দোনেশিয়ায়। সেবার রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৫। কম্পনের উৎসস্থল সিগলি থেকে ১৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের ১৭ কিলোমিটার গভীরে। ভোর ৫টায় হঠাত্‍ই কেঁপে ওঠে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রার পিদি জায়া। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে একের পর এক বাড়ি। চোখ খোলার সময়টকুও পাননি অনেকে। যাঁদের ঘুম ভাঙে, তাঁরা কোনও মতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে রক্ষা পান। আর যাঁরা পারেননি…..ঘুমের মধ্যেই ডুবে যান চিরঘুমে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে যখন উদ্ধার কাজ শুরু করে প্রশাসন, তখন সব শেষ। ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে উদ্ধার হয় একের পর এক দেহ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks