সাদাম্পটন: নিয়মরক্ষার ম্য়াচেও ভারতীয় বোলিংয়ের দৈন্যদশা প্রকট হয়ে বেরিয়ে এল। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ভারতের বোলাররা ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্তের আস্থা রাখতে পারলেন না। ঝোড়ো সেঞ্চুরি হাঁকালেন জস বাটলার। ৯৫ রানে অপরাজিত থাকলেন হ্যারি ব্রুক। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান বোর্ডে তুলে নিল ইংল্যান্ড।
বৃষ্টিবিঘ্নিত নিয়মরক্ষার টি-টোয়েন্টি ম্য়াচে একাদশে বদল এনেছিল ভারতীয় দল। সঞ্জু স্য়ামসন ফিরেছিলেন বৈভব সূর্যবংশীর জায়গায়। খেলানো হয়েছিল সূর্যাংশ শেডগেকে। শ্রেয়স আইয়ার ক্যাপ্টেন হিসেবে আয়ারল্য়ান্ডের পর এই সিরিজও ইতিমধ্যেই হেরে বসে আছেন। শুধু নিয়মরক্ষার ম্য়াচটি জেতাই লক্ষ্য ভারতের। কিন্তু ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসের শেষে যে রান বোর্ডে তুলে ফেলল, তাতে এমনিতেই চাপে পড়ে যাবে ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ। ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফিল সল্টের উইকেট নিয়ে নেন ভারতীয় পেসার। এরপর জুটি বাঁধেন জস বাটলার ও ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। দু’জনে মিলে ২৩৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন।
বাটলার চলতি সিরিজে শুরু থেকে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না। কিন্তু ৩৫ বছরের তারকা উইকেট কিপার ব্যাটার যে এখনও শেষ হয়ে যাননি, তার প্রমাণ দিলেন এদিনের ব্যাটিংয়েই। ৫১ বলে নিজের শতরান পূরণ করেছিলেন। আর যখন থামলেন তখন তাঁর নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ৬৪ বলে ১৩১ রান। ১২টি বাউন্ডারি ও আটটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন নিজের ইনিংসে। বাটলারের পাশাপাশি উজ্জ্বল ছিলেন ইংল্যান্ড ক্যাপ্টেন হ্যারি ব্রুকও। তিনি ৯৫ রানে অপরাজিত থেকে যান শেষ পর্যন্ত। দু’জনে এত রান হয়ত করতেই পারতেন না যদি ভারতীয় বোলাররা আঁটোসাটো বোলিং করতেন ও ফিল্ডাররা ভাল ফিল্ডিং করতেন। পাঁচটি ক্যাচ মিস হয় এদিন ভারতের তরফে। প্রিন্স যাদব ৪ ওভারে ৬০ রান খরচ করলেও কোনও উইকেট পাননি। অক্ষর পটেল ৪ ওভারে ৬৩ রান খরচ করে কোনও উইকেট পাননি। শিবম দুবে ১ ওভারে ২টো উইকেট পরপর নিলেও সেই ওভারে ২২ রান খরচ করেন। অর্শদীপ ৪ ওভারে ৩৩ রান খরচ করেও কোনও উইকেট পাননি। প্রসিদ্ধ ৪ ওভারে ৩৮ রান খরচ করে ১ উইকেট পান মাত্র।
