বঢোদরা: বিজয় হাজারে ট্রফিতে লিগ পর্যায়ে বঢোদরার শেষ তিনটি ম্য়াচে হয়ত খেলতে দেখা যাবে হার্দিক পাণ্ড্যকে। জানুয়ারিতে লিগের শেষ তিনটি ম্যাচ খেলতে নামবে বঢোদরা। সেই ম্য়াচগুলোতেই দেখতে পাওয়া যাবে হার্দিককে। সেক্ষেত্রে কিউয়িদের বিরুদ্ধে তিন ম্য়াচের ওয়ান ডে সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে হার্দিককে। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে ভারত-নিউজিল্য়ান্ড ওয়ান ডে সিরিজ।
এক সূত্র মারফৎ জানানো হয়েছে, হার্দিক বঢোদরার জার্সিতে বিজয় হাজারে ট্রফিতে আগামী ৩ জানুয়ারি বিদর্ভের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন। ৮ জানুয়ারি চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধেও নামবেন। তবে জম্মু কাশ্মীরের বিরুদ্ধে আগামী ৬ জানুয়ারি ম্য়াচ রয়েছে। তবে সেই ম্য়াচে হয়ত হার্দিক খেলবে না।
জানা গিয়েছে যে নিউজিল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে জাতীয় দলে ফেরার জন্য প্রস্তুত ছিলেন হার্দিক। কিন্তু বিসিসিআইয়ের তরফে তারকা অলরাউন্ডারকে জানানো হয়েছে যে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য হার্দিককে তৈরি রাখতে চাইছ বোর্ড। তাই কিউয়িদের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হার্দিক শেষবার ভারতের জার্সিতে ওয়ান ডে-তে খেলেছেন গত মার্চে। দুবাইয়ে কিউয়িদের বিরুদ্ধেই সেই ম্য়াচে খেলেছিলেন হার্দিক। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে জাতীয় দলে ফিরবেন হার্দিক ও বুমরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ভারতীয় দল। সেই সিরিজে হার্দিক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন দলের। এর আগে এশিয়া কাপজয়ী ভারতীয় দলেরও সদস্য ছিলেন বঢোদরার অলরাউন্ডার।
গম্ভীরকে কি ছাঁটা করা হবে?
সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সাফল্য এলে গম্ভীর-জমানায় ভারতীয় দল ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ় ড্র করা বাদে লাল বলের ক্রিকেটে নিজেদের পারফরম্যান্সের জন্য বারংবার সমালোচিত হয়েছেন। ঘরের মাঠে নিউজ়িল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে টিম ইন্ডিয়া। SENA দেশগুলির বিরুদ্ধে গম্ভীরের কোচিংয়ে ১০টি টেস্ট হেরেছে ভারত। এই জন্যই বিভিন্ন মহল থেকে গম্ভীরকে টেস্ট কোচের পদ থেকে অপসারণের দাবি উঠছে। এরই মধ্যে আবার শোনা গিয়েছিল ভারতীয় বোর্ডের তরফে মৌখিকভাবে ভিভিএস লক্ষ্মণ টেস্ট দলের কোচ হতে চান কি না, জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী তাঁকে ভারতীয় বোর্ডের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি মৌখিকভাবে টেস্ট দলের কোচ হওয়ার জন্য তিনি আগ্রহী কি না জিজ্ঞেস করা হয়েছে। তবে শোনা যাচ্ছে লক্ষ্মণ এই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছন। তিনি বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে ‘হেড অফ ক্রিকেট’-র ভূমিকাতেই খুশি বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মণ।
