July 15, 2026
d8e25dfaca90f3bdd1fc8feadf2ecde71784122970987338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা। এবার তাঁকে ‘স্বাগত’ জানাল বাংলাদেশ। বিচারের মুখোমুখি হতে বলল তাঁকে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, ‘মৃত্যুদণ্ডের বদলাতেও পারে’। হাসিনার ফেরার ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া বাধা হবে না বলে জানাল তারা। (Sheikh Hasina)

বাংলাদেশে ফিরতে চান বলে আগেই জানিয়েছিলেন হাসিনা। সম্প্রতি ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের শেষ দিকেই বাংলাদেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে হাসিনা নিজের দল আওয়ামি লিগকে ফের দাঁড় করাতে চান বলে জানা যায়। (Bangladesh News)

আরও পড়ুন: ভারতের পরমাণু-তথ্য বেহাত হয়ে গেল, ১৯০০০ ফাইল ফাঁস করে দিল World Leaks, এই সংস্থা থেকে…

সেই নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ‘মানবতা বিরোধী অপরাধ’ ঘটানোর মামলায় বাংলাদেশের আদালত ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত করেছে হাসিনাকে। তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে। তাই হাসিনাকে ‘পৃথিবীর সেরা’ আইনজীবীদের নিয়ে দেশে ফিরতে আহ্বান জানিয়েছেন জাহেদ। 

হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্তকে ‘স্বাগত’ জানিয়ে জাহেদ বলেন, “ওঁর ঘোষণাকে স্বাগত জানাচ্ছি আমরা। আমরা চাই ন্যায় বিচার হোক।  যে অপরাধ করেছেন উনি, তাতে দেশের মানুষ চান মৃত্যুদণ্ডের সাজা বহাল থাকুক। মানুষের ইচ্ছানুসারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। ওঁকে পৃথিবীর সেরা আইনজীবীদের নিয়ে আসতে দিন।”

আরও পড়ুন: তৃণমূলের সব পদ ছেড়ে দিলেন মদন মিত্র, ঋতব্রতর পাশে বসেই ঘোষণা, শোনালের কবিতাও

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। জাহেদের দাবি, কোনও রাখঢাক থাকবে না। সব কিছু চোখের সামনে থাকবে সকলের। ভিডিও কভারেজ হবে, থাকবেন বিশেষজ্ঞরা। রায় পরিবর্তনও হতে পারে বলে দাবি তাঁর। বলেন, “(রায়বদল) ওটাও হতে পারে।” হাসিনার দেশের ফেরা নিয়ে দেশের বর্তমান সরকারের উপর কোনও চাপ নেই বলেও জানান জাহেদের।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা হাসিনা, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন হিংসাত্মক আকার ধারণ করলে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসে ভারতে আশ্রয় নেন হাসিনা। জাহেদের দাবি, ২০১০ সালে আওয়ামি লিগের সরকার থাকাকালীন কিছু ক্ষেত্রে রায় বদল হয়েছিল, আবার কিছু ক্ষেত্রে রায় বদলও হয়েছিল। তাই আইনি প্রক্রিয়া হাসিনার দেশের ফেরার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। ঢাকার সঙ্গে পরামর্শ করে দিল্লি হাসিনার ফেরার ব্যবস্থা করতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

হাসিনার অনুপস্থিতিতেই গত বছর তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনকে দমন করতে হাসিনার তদানীন্তন সরকার যে পদক্ষেপ করে, তাকে ‘মানবতা বিরোধী অপরাধ’ বলা হয়। যদিও হাসিনার দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য়প্রণোদিত ভাবেই তাঁর বিরুদ্ধে ওই সব অভিযোগ তোলা হয়েছে। হাসিনাকে ফেরত চেয়ে  ইতিমধ্যেই একাধিক বার ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছে ঢাকা। গোটা বিষয়টিতে সাবধানী অবস্থান নিচ্ছে ভারত। আইন অনুযায়ীই সব কিছু হবে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks