কলকাতা: আয়কর রিটার্ন জমা পড়ার পর একাধিক ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক ভাবে স্ক্রুটিনি বা বিস্তারিত তদন্ত করা হবে। কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে? সেই নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে CBDT বা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস। তাঁদের নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে জমা পড়া রিটার্ন অটোম্যাটিক্যালি বিস্তারিত যাচাই বা স্ক্রুটিনির জন্য নির্বাচিত হবে। এমন করার কারণ হল কর ফাঁকি ঠেকানো।
আরও পড়ুন: ITR-1, 2, 3 নাকি 4? কোন ধরনের আয়কর রিটার্ন ফর্ম আসলে আপনার জন্য?
সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস -এর নির্দেশিকা অনুযায়ী ১ এপ্রিল ২০২৪ বা তার পরে আয়কর আইনের ১৩৩এ ধারা অনুযায়ী যেসব ব্যবসায়িক বা পেশাগত প্রতিষ্ঠানে সার্ভে হয়েছে, সেসব রিটার্ন বাধ্যতামূলক স্ক্রুটিনির আওতায় আসবে। তবে ১৩৩এ(২এ) ধারার অধীনে হওয়া সার্ভে এই তালিকায় থাকবে না।
এছাড়া ১ এপ্রিল ২০২৪ বা তার পরে ১৩২ বা ১৩২এ ধারা অনুযায়ী তল্লাশি বা নথি ও সম্পত্তি যদি বাজেয়াপ্ত করা হয় বা করার জন্য পদক্ষেপ করা হয়, তাহলেও সংশ্লিষ্ট করদাতার রিটার্নও সম্পূর্ণ স্ক্রুটিনি করবে আয়কর দফতর।
আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীদের আটকাতে ব্যারিকেড, ছাত্র-যুবদের সঙ্গে এবার রাস্তায় থাকার অঙ্গীকার বিরোধী সাংসদদেরও
আবার এমন কিছু ক্ষেত্রে আছে, যেখানে ১৪৮ ধারায় নোটিস জারি হয়েছে। আবার পরবর্তীতে ১৪৩(২) ধারায় তদন্তের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই ক্ষেত্রগুলোও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সাধারণত আয় গোপন করা হয়েছে অথবা আয় কম দেখানো হয়েছে বলে সন্দেহ করা হলে এই ধরনের নোটিস জারি করা হয়।
এছাড়া 12 A ও 12 AB -সহ একাধিক ধারার অধীনে কর ছাড়ের সুবিধা দাবি করা কোনও সংস্থার অনুমোদন যদি ৩১ মার্চ ২০২৫-এর আগে বাতিল হয়ে থাকে বা মঞ্জুর না হয়ে থাকে, তবে সেই সংস্থার রিটার্নও স্ক্রুটিনি করা হবে।
সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস আরও জানিয়েছে, এর আগের অর্থবর্ষগুলোতে বড় অঙ্কের কর সংযোজন চূড়ান্তভাবে বহাল থাকলে এবং সেই অঙ্ক মেট্রোপলিটন শহরে ৫০ লক্ষ টাকা বা অন্য জায়গায় ২০ লক্ষ টাকার বেশি হলে, সেই করদাতাদের রিটার্নও বাধ্যতামূলকভাবে যাচাই করা হবে। এর পাশাপাশি, কোনও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে নির্দিষ্ট কর ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেলে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি রিটার্ন জমা দিয়ে থাকলে, সেই ক্ষেত্রেও সম্পূর্ণ স্ক্রুটিনি করা হবে।
