April 20, 2026
d62fc9f7631b7abc031168392fb194d01776659414883170_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি : ফের কি পুরোদস্তুর যুদ্ধের পথে আমেরিকা ও ইরান ? এই প্রশ্ন ওঠার নেপথ্যে, বিগত কয়েক ঘণ্টার ঘটনাক্রম। আগেই ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে আমেরিকা। প্রথমে গুলি ও পরে বাজেয়াপ্ত করে। যা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এই আবহে এবার পাল্টা পদক্ষেপের পথে হাঁটল ইরানের বাহিনী। ওমান সাগরে আমেরিকার সামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাল ইরানের বাহিনী। এমনই খবর বিভিন্ন সাংবাদমাধ্যম সূত্রের। যার জেরে দুই সপ্তাহের সংঘর্ষ-বিরতির পর, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হল বলে মনে করছে ওয়াকিবাহল মহল।

তবে, ইরানের হামলার তীব্রতা সম্বন্ধে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। কত সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বা মার্কিন সম্পত্তির কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তাও স্পষ্ট নয়। আগের দিনই ইরানের আব্বাস বন্দরগামী একটি কার্গো জাহাজকে লক্ষ্য করে গোলাগুলি চালিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন,  হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছিল ইরানের জাহাজটি। Truth Social-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর মার্কিন মেরিন সেনা জাহাজটি বাজেয়াপ্ত করে। তিনি লেখেন, “এই মুহূর্তে জাহাজটি মার্কিন মেরিন সেনার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাহাজটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে এবং আমরা দেখছি এর ভেতরে কী আছে।”

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সংঘর্ষবিরতির সময় পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হচ্ছে – ভারতীয় সময় শুক্রবার সন্ধের দিকে প্রকাশ্যে আসে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির এই ঘোষণা। যুদ্ধবিরতির আবহে তেহরানের এই ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে স্বস্তির আবহ তৈরি হতে না হতেই কাটে সুর। সিদ্ধান্ত বদলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, প্রণালী খোলা থাকার সময় হরমুজ পেরোতে গেলে ভারতের ২টি তেলবাহী ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড। হরমুজ প্রণালীর প্রবেশমুখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা কেশম ও লারাক দ্বীপের মধ্যবর্তী জলসীমায় ঘটনাটি ঘটে। যার জেরে ২টি জাহাজই পিছু হঠতে বাধ্য হয়। তবে কোনও হতাহত হয়নি। একটি ট্যাঙ্কার ট্র্যাকার সাইটের তথ্য অনুযায়ী, গুলির চলার পর ২টি ভারতীয় জাহাজ ও একটি গ্রিক জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন করতে হয়। তাদের মধ্যে একটি ভারতীয় ট্যাঙ্কার ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল নিয়ে ইরাক থেকে আসছিল। এই ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে ফের তৈরি হয় অস্থিরতা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks