হায়দরাবাদ: দিল্লি ক্যাপিটালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে নাগাড়ে তৃতীয় জয়ের লক্ষ্যে আজ নবাবদের শহরে মাঠে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তবে সিএসকের বিজরথ থামিয়ে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নাগাড়ে দ্বিতীয় ম্যাচ জিতল সানরাইজার্স, সৌজন্যে অভিষেক শর্মা ও হেনরিখ ক্লাসেনের ব্যাটিং এবং ঈশান মালিঙ্গা ও নীতীশ কুমারদের বোলিং।
এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিএসকে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়। তবে শুরুটা সিএসকের মনমতো একেবারই হয়নি, পাওয়ার প্লেতে বিধ্বংসী ব্যাটিং করা শুরু করেন সানরাইজার্সের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও ট্র্যাভিস হেড। এই দুই ওপেনারের সুবাদেই পাওয়ার প্লেতেই ৭৫ রান তোলে সানরাইজার্স। অভিষেক সানরাইজার্সের হয়ে সর্বকালের দ্রুততম, মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরান হাঁকান। তবে পাওয়ার প্লের একেবারে শেষ দুই বলে দুই উইকেট হারায় সানরাইজার্স। পরপর বলে মুকেশ চৌধুরী ২৩ রানে হেড ও শূন্য় রানে ঈশান কিষাণকে ফেরান।
অর্ধশতরানের পর অভিষেকও বেশিদূর এগোতে পারেননি। তিনি ৫৯ রানে জেমি ওভারটনের শিকার হন। মিডল অর্ডারে সানরাইজার্সের হয়ে তেমন কেউই রান তুলতে পারেননি। তবে ইনফর্ম ক্লাসেন একদিকে টিকে থাকেন। তিনিই ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়ান। ৩২ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেন ক্লাসেন। তিনি অংশুল কম্বোজের বলে ৫৯ রানে সাজঘরে ফেরেন। এরপরেই লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং ধস নামে। একের পর এক উইকেট হারিয়ে সানরাইজার্সের রানের গতিও কমে যায়। শেষমেশ দু’শোর গণ্ডি পার করতে ব্যর্থ হয় সানরাইজার্স নয় উইকেটে ১৯৪ রান তোলে তারা।
জবাবে সিএসকে ব্যাটিংয়ে নেমেই শুরুতে ধাক্কা খায়। সঞ্জু স্যামসনকে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরান নীতীশ কুমার রেড্ডি। তবে আয়ুষ মাত্রে তিনে নেমেই বিধ্বংসী ব্যাটিং শুরু করেন। তিন ওভারেই ৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে সিএসকে। তবে ঠিক যখন মনে হচ্ছিল মাত্রে পাওয়ার প্লেতে সিএসকেকে বিরাট বড় রান তুলতে সাহায্য করবেন মাত্রে, তখনই তাঁকে সাজঘরে ফিরিয়ে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন নীতীশ কুমার রেড্ডি। এরপরে ম্য়াট শর্ট, সরফরাজ খানরা সিএসকের হয়ে ইনিংসটা ভালভাবে শুরু করেও কেউই বড় রান করতে পারেননি। তাও অবশ্য শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় হলুদ বিগ্রেড। কিন্তু শেষমেশ জয়ের হাসি সানরাইজার্সই। ১০ রানে ম্যাচ জেতে সানরাইজার্স। দলের হয়ে তিন উইকেট নিয়ে দলকে জেতাতে বড় ভূমিকা নেন মালিঙ্গা।
