মুম্বই: ফের শিরোনামে স্মৃতি মন্ধানা ও পলাশ মুচ্ছল। গত বছর বিয়ের কথা ছিল ২ জনের। কিন্তু আচমকাই সব কিছু ঘেঁটে যায়। বিয়ের আগেই অন্য মহিলাদের সঙ্গে পলাশের সম্পর্ক, সোশ্য়াল মিডিয়া চ্যাট ও ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে জানতে পেরে বিয়ে থেকে পিছিয়ে এসেছিলেন স্মৃতি মন্ধানা। জানা গিয়েছিল যে সেই পরিস্থিতিতে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটারের বাবাও না কি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক একটি ভিডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা দেখে অনেকেই মনে করছেন দুজনের দূরত্ব হয়ত কমেছে। সব কিছু কি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে তবে?
সোশ্য়াল মিডিয়ায় এক ভিডিওতে দেখা যায় স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্ধানাকে একটি রেস্টুরেন্টের বাইরে। সেখানেই সঙ্গীতিশিল্পী পলক মুচ্ছল ও তাঁর স্বামী মিউজিক ডিরেক্টর মিথুন স্মৃতির বাবার সঙ্গে দেখা করেন। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটারের বাবাকে দেখে পা ছুঁয়ে প্রণামও করতে দেখা যায় পলককে। সেই ভিডিওতে মিথুনকেও হাসিমুখে ছবি তুলতে দেখা যায়।
এমন ছবি দেখে অনেকেই অবাক হয়ে গিয়েছেন! অনেকেই লিখেছেন যে হয়ত দুজনের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক হয়ে গিয়েছে। অনেকেই আবার মনে করছেন যে আচমকা দেখা হওয়াতেই এই সৌজন্যতা।
উল্লেখ্য, গত বছর বিয়ের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানেও বেশ মজা করেছিলেন ২ পক্ষ। কিন্তু আচমকাই পলাশের কিছু চ্য়াট ভাইরাল হয়ে যায়। যা দেখেই বিয়ে থেকে পিছিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রকাশ্যে চলে আসে পলাশের সঙ্গে এক নারীর চ্যাটিং ও! জানা যায়, এই নারীর নাম, মেরি ডি’কোস্টা। এই মহিলাই নাকি স্মৃতি মান্ধানা আর পলাশ মুচ্ছলের বিয়েতে কোরিওগ্রাফি করছিলেন। সেই সূত্রেই নাকি পলাশের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মেরি। স্মৃতি মান্ধানা আর পলাশ মুচ্ছলের মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তির নাম আসতে, সমস্ত অনুরাগীরা আক্রমণ শুরু করেন এই মেরি ডি কোস্টাকে। অবশেষে মুখ খোলেন মেরি ডি কোস্টা। বিতর্কিত ওই চ্যাটিং-এর স্ক্রিনশট তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নিয়েছিলেন। তবে এরপরেই তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেন। পরে অবশ্য ডি কোস্টা জানিয়েছিলেন যে তিনি সেই মহিলা নন, যাঁর কথা বলা হচ্ছে।
