May 18, 2026
0a8d72504a4b6654aae8bd36a8f72d5f1685436698920314_original.jpg
Spread the love


Show Quick Read

Key points generated by AI, verified by newsroom

  • পিপিএফ-এ নির্দিষ্ট টাকা বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদে আকর্ষণীয় রিটার্ন লাভ সম্ভব।
  • কম বয়সে বিনিয়োগ শুরু করলে চক্রবৃদ্ধি সুদের লাভ বেশি হয়।
  • সরকারি প্রকল্প হওয়ায় পিপিএফ নিরাপদ, সাথে আয়কর ছাড়ের সুবিধা।
  • ৫ এপ্রিলের মধ্যে টাকা জমা করলে সুদের পরিমাণ সর্বাধিক পাওয়া যায়।

Public Provident Fund : অনেকেই পিপিএফ-এর (PPF Plan) এই ম্যাজিকের বিষয়ে জানেন না। যেখানে মাসে দীর্ঘমেয়াদে একটি নির্দিষ্ট টাকা বিনিয়োগ (Investment) করে আপনি পেতে পারেন সাড়ে ৫ কোটি টাকা। জেনে নিন, কীভাবে এটা সম্ভব ?    

অবসরের সময়ে এই টাকা পাবেন আপনি (৬০ বছর বয়স পর্যন্ত)
পিপিএফ-এর মূল জাদুই হল কম্পাউন্ডিং বা চক্রবৃদ্ধি সুদ। আপনি যত কম বয়সে বিনিয়োগ শুরু করবেন, আপনার টাকার অঙ্ক তত বেশি বড় হবে। দেখে নেওয়া যাক বয়স অনুযায়ী জমার অঙ্ক এবং রিটার্নের হিসাব:

১০ বছর বয়স থেকে (নাবালক অ্যাকাউন্ট): মনে রাখবেন, যদি কোনও অভিভাবক সন্তানের ১০ বছর বয়স থেকে মাসে ১০,০০০ টাকা করে জমা করেন, তবে ৫০ বছরে মোট জমা হবে ৬০ লাখ টাকা। বর্তমান সুদের হারে ৬০ বছর বয়সে মোট রিটার্ন পাওয়া যাবে ৫.৪০ কোটি টাকা (যার মধ্যে সুদই ৪.৮০ কোটি টাকা)।

১৫ বছর বয়স থেকে: ৪৫ বছর ধরে মাসে ১০,০০০ টাকা জমা করলে (মোট জমা ৫৪ লাখ) ৬০ বছর বয়সে মিলবে ৩.৭৮ কোটি টাকারও বেশি।

২০ বছর বয়স থেকে: ৪০ বছর ধরে বিনিয়োগ করলে (মোট জমা ৪৮ লাখ) ৬০ বছর বয়সে পাওয়া যাবে ২.৬৩ কোটি টাকার বেশি।

২৫ বছর বয়স থেকে: ৩৫ বছরের বিনিয়োগে (মোট জমা ৪২ লাখ) ৬০ বছর বয়সে হাত আসবে ১.৮১ কোটি টাকা।

৩০ বছর বয়স থেকে: ৩০ বছরের বিনিয়োগে (মোট জমা ৩৬ লাখ) ৬০ বছর বয়সে মিলবে ১.২৩ কোটি টাকা।

৪০ বছর বয়স থেকে: ২০ বছরের বিনিয়োগে (মোট জমা ২৪ লাখ) ৬০ বছর বয়সে পাওয়া যাবে ৫৩.২৬ লাখ টাকা।

কেন চোখ বন্ধ করে ভরসা করবেন PPF-এর ওপর ?
নিরাপত্তা: সরকারি প্রকল্প হওয়ায় এখানে টাকা ডোবার কোনও ঝুঁকি নেই। বর্তমান ত্রৈমাসিকে সুদের হার ৭.১% (এই সুদের হার প্রতি কোয়ার্টারে পর্যালোচনা করা হয়)।

ট্রিপল ট্যাক্স বেনিফিট (EEE): পিপিএফ হলো ‘EEE’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, বিনিয়োগের টাকা, অর্জিত সুদ এবং ম্যাচিউরিটির পর তুলে নেওয়া মোট টাকা—তিনটির ওপরেই কোনো আয়কর লাগে না। পুরনো ট্যাক্স জমানায় সেকশন 80C-র অধীনে বছরে ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় পাওয়া যায়।

লোন এবং আংশিক টাকা তোলার সুবিধা: অ্যাকাউন্ট খোলার ১ বছর পর থেকেই জমার ওপর ভিত্তি করে ২৫% পর্যন্ত ঋণ নেওয়া সম্ভব। এছাড়া, জরুরি প্রয়োজনে ৫ বছর পর থেকে আংশিক টাকা তোলা যায়। ১৫ বছর পর অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ ম্যাচিউর হয়ে যায়, তবে চাইলে ৫ বছরের ব্লকে এর মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো সম্ভব।

রিটার্ন সর্বোচ্চ করতে মাথায় রাখুন এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রিক !
পিপিএফ-এ সুদের হিসাব হয় প্রতি মাসের ৫ তারিখ থেকে মাসের শেষ দিনের মধ্যে থাকা সর্বনিম্ন ব্যালেন্সের ওপর। সুদ প্রতি মাসে হিসাব করা হলেও তা অ্যাকাউন্টে জমা হয় বছরের শেষে, ৩১শে মার্চ।

তাই আপনি যদি বছরে এককালীন ১.৫ লাখ টাকা জমা করতে চান, তবে অবশ্যই ৫ এপ্রিলের মধ্যে তা জমা করুন। ৫ এপ্রিল পার হয়ে গেলে আপনি পুরো এক মাসের সুদ (প্রায় ৮৮৭.৫ টাকা) হারাবেন।

কম্পাউন্ডিং-এর আসল ধাক্কা: ধরা যাক, আপনি ১৫ বছর ধরে প্রতি বছর ১.৫ লাখ টাকা জমা করছেন। যদি প্রতি বছর ৫ই এপ্রিলের মধ্যে টাকা জমা করেন, তবে ১৫ বছর পর মোট সুদ পাবেন ১৮.১৮ লাখ টাকা। কিন্তু যদি প্রতি বছর ৫ই এপ্রিলের ডেডলাইন মিস করেন, তবে আপনার মোট সুদের পরিমাণ কমে দাঁড়াবে ১৭.৯৫ লাখ টাকায়। অর্থাৎ, সামান্য ভুলের জন্য আপনার প্রায় ২৩,১৮৮ টাকার ক্ষতি হতে পারে!

তাই আর দেরি না করে, আজই সঠিক পরিকল্পনার সঙ্গে শুরু করুন পিপিএফ বিনিয়োগ আর নিশ্চিত করুন আপনার বা আপনার সন্তানের সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ।

আরও পড়ুন : পিপিএফে ৫ এপ্রিলের পরে টাকা জমা দিচ্ছেন ? হবে ২৩,১৮৮ টাকা ক্ষতি !



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks