June 13, 2026
1c59b47fff0fa295ec2c6e5c90f2471e17813752493631373_original.jpg
Spread the love


কলকাতা: ভারতে E85 ইথানল-ভিত্তিক জ্বালানির সূচনার সঙ্গে সঙ্গে ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ি নিয়ে আগ্রহও বাড়ছে। সম্প্রতি মারুতি সুজুকি তাদের প্রথম ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ি, ওয়াগনর ফ্লেক্স-ফুয়েল সামনে নিয়ে এসেছে। এই প্রযুক্তি সাধারণ প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব। এর পাশাপাশি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে—সাধারণ পেট্রোল গাড়ির তুলনায় ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ির দাম কতটা বেশি হবে?

আরও পড়ুন: কোন আয়কর রিটার্ন ফর্ম ফিলআপ করবেন আপনি? ভুল ফর্ম ভরলেই আসতে পারে IT নোটিস

বিশেষজ্ঞদের মতে, E85 জ্বালানিতে চলার জন্য গাড়িতে একাধিক প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করতে হয়। ইথানলের মাত্রা বেশি হওয়ায় এই জ্বালানি গাড়ির একাধিক অংশের খুব দ্রুত ক্ষয় করতে পারে। আর সেই কারণেই ফুয়েল ট্যাঙ্ক, ফুয়েল লাইন, ইনজেক্টর, ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট বা ECU এবং আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশকে বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হয়। এই অতিরিক্ত পরিবর্তনের কারণেই গাড়ির উৎপাদন খরচ বাড়ে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ির দাম একই মডেলের সাধারণ পেট্রোল গাড়ির তুলনায় প্রায় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেশি হতে পারে। এই ব্যবধান অনেকটা সিএনজি গাড়ির মতো। এই ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রযুক্তি ও সরঞ্জামের কারণে দাম কিছুটা বেড়ে যায়। তবে নির্মাতারা বাজারে এই প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করতে চাইলে প্রাথমিক পর্যায়ে অতিরিক্ত খরচের একটি অংশ নিজেরাই বহন করতে পারে। সেক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কমও হতে পারে।

আরও পড়ুন: মাসে ২০ হাজার টাকার SIP করলে ২৪ বছরে কত কোটি টাকার তহবিল তৈরি হবে জানেন কি?

বর্তমানে দেশে ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ির সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। মারুতি সুজুকি ওয়াগনর দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু করলেও আগামীতে টাটা মোটরসের মতো সংস্থাও এই প্রযুক্তির গাড়ি আনতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে। এ ছাড়াও হিরো মোটকর্প তাদের প্রথম ফ্লেক্স ফুয়েল বাইকও লঞ্চ করে দিয়েছে। তবে গাড়ির সংখ্যা বাড়ার আগে প্রয়োজন পর্যাপ্ত E85 জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা।

এখনও পর্যন্ত দিল্লিতে E85 জ্বালানির একটি ফিলিং স্টেশন চালু হয়েছে। আগামী মাসগুলিতে আরও বহু পাম্পে এই জ্বালানি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সরকার। জ্বালানির পরিকাঠামো বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে আরও বেশি ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে পরিবেশবান্ধব ও তুলনামূলক সস্তা জ্বালানির বিকল্প হিসেবে E85 এবং ফ্লেক্স-ফুয়েল প্রযুক্তি আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks