May 27, 2026
14f145dbb08f18133fb173cad88d464f177002139978053_original.jpg
Spread the love


বছরখানেক আগে ভারতে ছড়িয়েছিল মাঙ্কি পক্স আতঙ্ক। এবার কর্ণাটকে ছড়াল kyasanur forest disease বা মাঙ্কি ফিভারের আক্রান্ত।  এই রোগে  প্রাণও গিয়েছে বছর ২৯ এর এক যুবকের। তারপরই আরও আলোচনায় এই জ্বর। উপসর্গ সাধারণ জ্বরের মতোই। কিন্তু ধীরে ধীরে শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে। কর্ণাটকের তিরথহাল্লি তালুকের বাসিন্দা এক যুবকের এই রোগ ধরা পড়ার পর পরিস্থিতির অবনতি হয়। এরপর  ২৮ জানুয়ারি উডুপি জেলার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীনই তাঁর  মৃত্যু হয়।

সে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের কমিশনার গুরুদত্ত হেগড়ে টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন। সাধারণত, kyasanur forest disease বা KFD-র সংক্রমণ এক সপ্তাহের মধ্যেই ধরা পড়ে।  তবে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা প্রায় একশো শতাংশই থাকে। এই রোগকে মোটেই সাঙ্ঘাতিক এসুখের তালিকায় ফেলা হয় না।  উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই  রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেরে ওঠাও সম্ভব। এই ব্যক্তির ক্ষেত্রেও বিষয়টা এমনটাই ঘটেছিল। একদিনের মধ্যেই KFD ধরা পড়ে। সময় হাতে থাকতে তাকে বড় হাসপাতালে রেফারও করা হয়েছিল। কয়েক দিন আগে পর্যন্ত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল ছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তারপর তিনি মারা যান। 

মাঙ্কি ফিভার কীভাবে ছড়ায়?

ড. ঐশ্বর্য আর TOI-কে জানিয়েছেন, নাম মাঙ্কি ফিভার হলেও এই র জ্বর সরাসরি বাঁদর থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায় না। এই রোগটি এক বিশেষ ধরণের বন্য কীট, হেম্যাফিস্যালিস স্পিনিগেরা-র মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়াও, কাঠবিড়ালি এবং ইঁদুরের মতো প্রাণীও সংক্রমণের উৎস হতে পারে। কীট কামড়ালে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ হয়। এই রোগ মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। সাধারণত এর প্রকোপ বাড়ে অক্টোবর-নভেম্বরে।  জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে ছড়ায়। 

কোন কারণে বাড়ে বিপদ?

ডাক্তারের মতে, যথেষ্ট সুরক্ষা ছাড়া পশুপালন, জঙ্গলে যাওয়া, বা সেই সব এলাকায় বসবাস করা যেখানে সংক্রমিত বাঁদরের মৃত্যু হয়েছে, সেখান থেকে KFD-র বিপদ বাড়ে।

 লক্ষণগুলি কী কী ? 

KFD-র লক্ষণগুলি সাধারণত ৩ থেকে ৮ দিনের মধ্যে দেখা যায়। শুরুতে তীব্র ঠান্ডা লাগা এবং তীব্র মাথা ব্যথা হয়। এর পরে- 

  • নাক, গলা এবং মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
  •  রক্তচাপ কমে যাওয়া 
  • প্লেটলেট এবং রক্তের কাউন্ট কমে যাওয়া

কিছু ক্ষেত্রে নিউরোলজিক্যাল লক্ষণও দেখা যেতে পারে, যেমন- 

  • বমি এবং বমি ভাব
  • পেশীতে টান ধরা
  • মানসিক বিভ্রম
  • কাঁপুনি
  • দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়া
  • তীব্র মাথা ব্যথা এবং রিফ্লেক্স কমে যাওয়া

KDK কতটা প্রাণঘাতী?

এই রোগে মৃত্যুর হার ২ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে ধরা হয়, যা এই বিষয়ের উপর নির্ভর করে যে রোগটি কতটা দ্রুত ধরা পড়েছে এবং চিকিৎসা কত দ্রুত শুরু হয়েছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা পেলে বেশিরভাগ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।

প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা

এখনও  মাঙ্কি ফিভারের  কোনও চিকিৎসা নেই। চিকিৎসায় রোগীকে ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড দেওয়া হয়, রক্ত বন্ধের পরিস্থিতি সামলানো হয় এবং সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার এবং পর্যাপ্ত জল পান করাও উপকারী বলে মনে করা হয়। 

ডিসক্লেমার: এই তথ্য গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এটিকে চিকিৎসা পরামর্শ হিসাবে বিবেচনা করবেন না। কোনো নতুন কার্যকলাপ বা ব্যায়াম শুরু করার আগে আপনার ডাক্তারের বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )

Calculate The Age Through Age Calculator



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks