August 4, 2026
fa6b180a59aa6931feb13853d2e2aeb41785869595340206_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: ভারতীয় ক্রিকেট দলের(Indian Cricket Team) গ্রহ থেকে অনেক দূরে তিনি এখন। আদৌ কোনওদিনও জাতীয় দলের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে কি না মহম্মদ শামিকে(Mohammed Shami) তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। অনেকে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই মনে করেন যে শামিকে আর কোনওদিনও ভারতীয় দলের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে না। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে তরুণদের নিয়ে। তবে শামি এরমধ্য়েও ফের একবার শিরোনামে উঠে এসেছেন।

সম্প্রতি এক টেলিভিশন শোয়ে শামিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে এই দুটো স্লোগান সম্পর্কে। সেখানেই তারকা ডানহাতি পেসার বলেন, ‘আমাকে এই প্রশ্নের সম্মুখিন এর আগেও হতে হয়েছে। কিন্তু আমি একটাই কথা বলব যে বন্দেমাতরম ও জয় হিন্দ, ভারত মাতা কি জয় এই কথাগুলো বলতে আমার কোনও সমস্য়া নেই। কারণ আমি তো আমার দেশের কথাই বলছি। আমার কাউকেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’

দেশের নিয়ম-কানুন মেনে চলা একজন নাগরিকের কর্তব্য বলে মনে করেন শামি। তিনি বলছেন, ‘জয় হিন্দ ও ভারত মাতা কি জয় বললে আমার কী কোনও ক্ষতি বা সমস্যা হতে পারে? আমি তো নিজের দেশেরই নাম নিচ্ছি। এখানে জাতি বা ধর্ম টেনে আনার কোনও মানে হয় না।’

শেষবার ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে দেখা গিয়েছিল তারকা পেসার মহম্মদ শামিকে। ২০২৫ সালে গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে প্রথম বড় সাফল্য পায় ভারতীয় ক্রিকেট দল। সেবার চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত। সেই দলের পেস বোলিং অ্য়াটাকের নেতৃত্বে ছিলেন শামি। কিন্তু এরপর থেকেই চোট আঘাত বারবার হানা দিয়েছে কেরিয়ারে। ইতিমধ্য়েই অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি নতুন নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে এগিয়েছে। উঠে এসেছেন আকাশ দীপ, মুকেশ কুমার, অর্শদীপ সিংহ, হর্ষিত রানা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর মত বোলাররা। যা শামির জন্য জায়গা আরও কঠিন করে তুলেছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার হয়ে খেলে পারফর্ম করেছেন ডানহাতি পেসার। কিন্তু তাতেও মন গলেনি নির্বাচকদের। এখনও পর্যন্ত শামির জন্য জাতীয় দলের দরজা পুরোপুরি বন্ধ, তেমনও কিন্তু নয়। কিন্তু তার জন্য তাঁকেও বিরাট কিছু নজরকাড়া পারফর্ম করতে হবে ঘরোয়া ক্রিকেটে। কারণ নতুনদের ভিড়ে ইতিমধ্য়েই শামির মত ভুবনেশ্বর কুমারকেও ব্রাত্য করে দিয়েছে টিম ম্য়ানেজমেন্ট। ২০২৩ ওয়ান ডে বিশ্বকাপে হার্দিক পাণ্ড্য চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ার পর শামির সুযোগ এসেছিল। তা লুফে নিয়েছিলেন। পরে টুর্নামেন্টের সর্বাধিক উইকেট শিকারিও হয়েছিলেন বাংলার এই পেসার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks