
শীতকালের আরামদায়ক ঠান্ডা কখনও কখনও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বাইরের তাপমাত্রা কমলে মানুষ জল কম পান করে, আর এই অভ্যাস কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

শীতল আবহাওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন বাড়ে। প্রস্রাব কম হয় এবং তার মধ্যে থাকা খনিজ পদার্থ একত্রিত হয়ে পাথর তৈরি হয়। তাই শীতকালে নিয়মিত জল পান করা খুবই জরুরি।

যাদের আগে থেকেই কিডনি স্টোনের সমস্যা আছে, স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা ইউরিক অ্যাসিড বেশি, তাদের শীতকালে এই ঝুঁকি আরও বাড়ে।

যদি অতিরিক্ত নুন, রেড মিট, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ভাজা খাবার খাওয়া হয়, তাহলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

বহু গবেষণায় দেখা গেছে, শীতকালে মানুষ কম জল পান করে, যার ফলে ডিহাইড্রেশন হয়ে কিডনি স্টোন হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

কোমর অথবা পেট ব্যথা, প্রস্রাব করার সময় জ্বালা, বমি বমি ভাব এবং ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া কিডনি পাথরের সাধারণ লক্ষণ।

সারাদিনে ১০ থেকে ১২ গ্লাস জল পান করুন। নুন কম খান এবং প্যাকেটজাত খাবার ত্যাগ করুন। লেবু, কমলালেবুর মতো টক ফলে সাইট্রেট থাকে, যা কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে রক্ষা করে।

কম জল পান করা, খাবারে বেশি নুন এবং ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে কম হাঁটাচলা করা – এই সমস্ত কারণ কিডনি স্টোন তৈরি করে।
Published at : 24 Nov 2025 09:57 PM (IST)
Tags :
আরও জানুন স্বাস্থ্য
আরও দেখুন
