নয়াদিল্লি: জাপানে বেআইনি মসজিদ নির্মাণকে ঘিরে করে কার্যত কান কাটা গেল পাকিস্তানের। সেখানে বেআইনি ভাবে মসজিদ নির্মাণের অভিযোগ প্রবাসী পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে। মসজিদটি ভেঙে ফেলা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে এই মুহূর্তে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, ওই মসজিদের থেকে এখন দূরত্ব বাড়াতে চাইছে টোকিওয় পাকিস্তানের দূতাবাসও। মসজিদটির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্থানীয়রাও। অনেকে পথেও নেমেছেন ইতিমধ্যে। সব মিলিয়ে অস্বস্তিতে পাকিস্তান। (Japan Mosque Row)
জাপানের কাওয়াগো শহরে একটি মসজিদকে ঘিরে জাপানে লজ্জার মুখে পড়তে হল জাপানকে। সাইতমার কাছে ৪৫০০ স্কোয়্যার মিটার জমির উপর সাদার উপর সবুজের ছোঁয়া থাকা মসজিদটি তৈরি হয়। পার্বত্য অরণ্যের জমিতে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। ওই জমিতে কোনওরকম নির্মাণকার্য নিষিদ্ধ জাপানে। কিছু করতে হলেও, বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন পড়ে। (Pakistan News)
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে জমিটির হাতবদল হয়। ফুজিমির একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থা থেকে কাওয়াগোর ঠিকানায় নথিভুক্ত হয় জমিটি। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই মসজিদটি তৈরি করা হয়েছে। ওই জায়গায় নির্মাণের অনুমোদনই নেই। শহর পরিকল্পনা আইনের আওতায় বিশেষ অনুমোদন নিতে হয়। মসজিদটি ভাঙার জন্য ইতিমধ্যেই আবেদন জমা পড়েছে।
আরও পড়ুন: আকাশে ঝাঁক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন, ঘন ঘন বাজছে সাইরেন, ফের পরস্পরকে আক্রমণ আমেরিকা ও ইরানের
জাপানে বসবাসকারী পাকিস্তানি নাগরিকরা মসজিদটি তৈরি করেছেন। মসজিদটির উদ্বোধনে অংশ নিয়েছিলেন জাপানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আব্দুল হামিদ। যে কারণে গোটা ঘটনায় পাকিস্তানকে লজ্জার মুখে পড়তে হচ্ছে। মসজিদটি ভেঙে ফেলা হতে পারে। প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন।
গোটা ঘটনায় অস্বস্তি বেড়েছে পাকিস্তান দূতাবাসের। তাদের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, কোনও বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে সংযোগ নেই তাদের। প্রবাসী পাকিস্তানিদের জাপানের নিয়ম কানুন মেনে চলতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে ধর্মস্থানের ক্ষেত্রে। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ব্যাতীত যাতে নির্মাণকার্য চালানো না হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রযোজকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার মিথ্যে মামলা করেছিলেন, এতদিন পর স্বীকার করলেন নায়িকা
কিন্তু বেআইনি ভাবে নির্মিত মসজিদের উদ্বোধনে কী করে হাজির হলেন পাক রাষ্ট্রদূত হামিদ? পাক দূতাবাসের দাবি, সেই মতো অনুমতি নেওয়া হয়েছিল জাপান সরকারের। মসজিদটি বেআইনি জানা ছিল না বলেও দাবি উঠছে।
