June 13, 2026
9100171ad949b3abb636129e3a2cd0b317704888045371334_original.jpg
Spread the love


মুম্বই: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) আমেরিকার (USA) বিরুদ্ধে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) দায়িত্বশীল ইনিংসে ২৯ রানের স্বস্তির জয় পেল ভারত (India)। প্রতিকূল আবহাওয়া ও কঠিন উইকেটে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দল যখন ধুঁকছিল, তখন খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তোলেন ‘ম্যাচের সেরা’ সূর্য। ম্যাচ শেষে তিনি জানান, প্রচণ্ড চাপের মুখেও নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকাই ছিল জয়ের চাবিকাঠি। ম্যাচ জিতলেও ব্যাটিংয়ে আরও স্মার্ট হওয়ার এবং শিক্ষা নেওয়ার অনেক জায়গা রয়েছে। মূলত সূর্যের অভিজ্ঞতা আর লড়াকু মানসিকতাই ওয়াংখেড়েতে ভারতকে এক গুরুত্বপূর্ণ জয় উপহার দিল। আবার একইসঙ্গে প্রথম ম্যাচ জেতার পর বিরাট দুশ্চিন্তার কথা শোনালেন সূর্যকুমার যাদব। যার ফলে প্রার্থনা শুরু ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের।

বিশ্বকাপ সফর শুরুর ম্যাচেই স্কাইয়ের অপরাজিত ৮৪ রানের ইনিংস দলকেই শুধু জেতায়নি, তাঁকে ম্যাচের সেরার পুরস্কারও এনে দিয়েছে। ম্যাচের পর ভারত অধিনায়ক বেশ কয়েকটি বিষয়ে নিজের মনোভাব তুলে ধরেছেন। নিম্নে তা নিয়ে আলোচনা করা হল।
 
চাপ ও আত্মবিশ্বাস: ‘আমি কতটা চাপে ছিলাম তা শুধু আমিই জানি। তবে নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল। আমি জানতাম শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সম্ভব।’

পিচ ও আবহাওয়া: ‘উইকেটটা একটু অন্যরকম ছিল। সকাল থেকে রোদ না থাকায় কিউরেটররা পিচ ঠিকমতো তৈরি করার বা রোলার চালানোর সুযোগ পাননি।’

ভুল থেকে শিক্ষা: ‘জয় পেলেও আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আমরা আরও ভাল এবং বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং করতে পারতাম। একটা বা দুটো ভাল পার্টনারশিপ হলে আমরা অনায়াসেই ১৬০ রানে পৌঁছে যেতাম। সব ভুল তো আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না।’

দলের অবস্থা: ‘বুমরা এবং অভিষেকের শরীর খুব একটা ভাল ছিল না। ওয়াশিংটন সুন্দর দিল্লিতে আমাদের দলের সঙ্গে যোগ দিতে চলেছে।’

ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়ে ধৈর্যের ফল প্রসঙ্গে: ‘আমি জানতাম এমন একটা ইনিংস কোনও না কোনও দিন আসবেই। গত এক বছর ধরে আমি দলের জন্য ক্রিজে টিকে থাকার চেষ্টা করছিলাম। দল থেকে ছুটি পেতেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে এবং নাগপুরে গিয়ে নিজেকে নতুন করে ফিরে পেয়েছি।’

পিচের ধারণা: ‘আমার মনে হয়নি এটা ১৮০-১৯০ রানের উইকেট, বরং ১৪০ রানের মতো ছিল। এই মাঠে অনেক ক্রিকেট খেলেছি বলে জানতাম এখানে কীভাবে ব্যাটিং করতে হয়।’

দায়িত্বশীল ব্যাটিং: ‘দলের স্কোর যখন ৭৭ রানে ৬ উইকেট, তখন বুঝেছিলাম একজনকে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে। আমি শুধু নিজের স্বাভাবিক শটগুলো খেলে ইনিংসটা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks