আমদাবাদ: চোট পেয়েছিলেন আরসিবির বিরুদ্ধে ম্য়াচের সময়ে। সেই চোট কি আদৌ সেরেছে রোহিত শর্মার? আজ গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলতে নামছে মুম্বই শিবির। এই ম্য়াচেই কি মাঠে দেখা যাবে হিটম্য়ানকে? সেই সম্ভাবনা উসকে দিলেন মুম্বই দলের বোলিং কোচ পারস মাহমব্রে। গুজরাত ম্য়াচের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিল মুম্বইয়ের বোলিং কোচ। সেখানেই রোহিতের মাঠে ফেরার সম্ভানাকে উসকে দিয়েছেন পারস।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে নিজেদের ঘরের মাঠে প্রথম ম্য়াচটি জয় পেয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এরপর থেকে আর একটি ম্যাচেও এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি মুম্বই শিবির। এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলে একেবারে তলানিতে রয়েছে হার্দিক পাণ্ড্যর দল। এই পরিস্থিতিতে রোহিত শর্মার দলে না থাকাটাও একটা বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মুম্বই দলের জন্য। পারস বলছেন, ”রোহিত ও স্যান্টনার দু’জনেই এখন ফিট। মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছে তাঁরা।” ফিল্ডিংয়ের সময় হার্দিক পাণ্ড্যকে মাঝে মধ্যেই এই মরশুমে বেশ অসহায় লেগেছে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই হার্দিকের নেতৃত্বের সমালোচনাও করছেন। চাপের মুখে দলকে সামলাতে পারছেন না তারকা অলরাউন্ডার, এমনটাই মনে করছেন অনেকে।
কিছুদিন আগেই হার্দিক পাণ্ড্যর নেতৃত্বের সমালোচনা করেছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি। এক সাক্ষাৎকারে বাংলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক জানিয়েছিলেন, ”হঠাৎ করে এই ব্যর্থতার জায়গাটা কিন্তু তৈরি হয়নি। ২০১৫ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত মুম্বইয়ের ক্যাপ্টেন হিসেবে রোহিত শর্মা দলকে পাঁচবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করেছিল। কিন্তু আচমকা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল। যা দলের ভারসাম্য নষ্ট করেছে নিশ্চিতভাবেই। হার্দিকের বিষয়ে নেতিবাচক কিছু বলব না। বেশি কঠোর হতে চাই না আমি। কিন্তু এটাও ঠিক যে নিজেকে পর্যালোচনা করাটা উচিৎ যে কীভাবে খেলছ, কীভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছ, তা একবার দেখো। আমার মনে হয় সেখানেই কোথাও গলদ রয়েছে। হার্দিক নিজেকে ব্যাটিং অর্ডারে ওপরের দিকে তুলে এনেছে। কিন্তু ১২ বলে ১৪ রান করছে। এর পরিবর্তে রাদারফোর্ডের মত ব্যাটার বেশি বল খেলার সুযোগ পেলে হয়ত আরও ৩-৪টে ছক্কা হাঁকাতে পারত। এছাড়া দীপক চাহার, বুমরা ওঁদের ঠিকভাবে ব্যবহারই করতে পারছে না হার্দিক।” উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের জার্সিতে ২০১৩ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়ে পাঁচবার ট্রফি জিতেছিলেন। কিন্তু পরের মরশুমে তাঁকে সরিয়ে হার্দিককে নেতৃত্বভার তুলে দেওয়া হয়।
