কলকাতা : কলকাতার বাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী সোনার দাম। ৩০ এপ্রিল ২০২৬-এর তুলনায় ২ মে ২০২৬-এ বিভিন্ন ধরনের সোনার দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেল। শুধু সোনাই নয়, রুপোর দামও অনেকটা বেড়ে গিয়েছে।
ফাইন গোল্ড (995) এর দাম
৩০ এপ্রিল ফাইন গোল্ড (995)-এর দাম ছিল প্রতি গ্রাম ১৪,৭৮০ টাকা। ২ মে সেই দাম বেড়ে হয়েছে ১৪,৯৩৯ টাকা। অর্থাৎ, মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি গ্রামে ১৫৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে ফাইন গোল্ডের দামে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ঊর্ধ্বগতি এবং চাহিদা বৃদ্ধির প্রভাব কলকাতার বাজারেও পড়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
২২ ক্যারেট সোনার দাম
২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার বিক্রয়মূল্য ৩০ এপ্রিল ছিল প্রতি গ্রাম ১৪,০৪০ টাকা। ২ মে সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪,১৯০ টাকা। অর্থাৎ, ২২ ক্যারেট সোনার বিক্রয়মূল্যে প্রতি গ্রামে ১৫০ টাকা বৃদ্ধি হয়েছে। অন্যদিকে, ২২ ক্যারেট সোনার ক্রয়মূল্যও বেড়েছে। ৩০ এপ্রিল যেখানে দাম ছিল ১৩,৪৫০ টাকা, সেখানে ২ মে তা বেড়ে হয়েছে ১৩,৫৯৪ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি গ্রামে ১৪৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
১৮ ক্যারেট সোনার দাম
১৮ ক্যারেট সোনার দামও ঊর্ধ্বমুখী। ৩০ এপ্রিল প্রতি গ্রাম ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ১১,৫৩০ টাকা। ২ মে সেই দাম বেড়ে হয়েছে ১১,৬৫০ টাকা।অর্থাৎ, প্রতি গ্রামে ১২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮ ক্যারেট সোনার দামে।
রুপোর দামেও বড় উত্থান
রুপোর বাজারেও চোখে পড়ার মতো উত্থান হয়েছে। ৩০ এপ্রিল ১ কেজি রুপোর বার-এর দাম ছিল ২,৩৮,৬১০ টাকা। ২ মে সেই দাম বেড়ে হয়েছে ২,৫০,৯৭০ টাকা। অর্থাৎ, মাত্র দুই দিনে রুপোর দামে ১২,৩৬০ টাকার বড় বৃদ্ধি হয়েছে।
কেন বাড়ছে সোনার দাম?
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা, ডলারের ওঠানামা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ার কারণেই দাম বাড়ছে। বিয়ের মরশুমের চাহিদাও বাজারে প্রভাব ফেলছে।
সোনার দামে এই সামান্য পতন আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব হতে পারে। অন্যদিকে রুপোর দামে বৃদ্ধি ইঙ্গিত দিচ্ছে বিকল্প বিনিয়োগ হিসেবে রুপোর চাহিদা কিছুটা বাড়ছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই সমস্ত দাম ৩% জিএসটি (GST) ছাড়া নির্ধারিত।
*১৯৯৩ সালে তৈরি হয় স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি (SSBC)। গোটা রাজ্যেই কার্যকর এই সংগঠন। স্বর্ণশিল্পী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে এই সংগঠনের কার্যকলাপ। বর্তমানে এর কার্যনির্বাহী সভাপতি সমর কুমার দে।
