
শারীরিক নির্যাতন অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু মানসিক নিপীড়ন এখনও ততটা গুরুত্ব পায় না। অথচ বহু মানুষই মানসিক নির্যাতনের শিকার।

মানসিক নিপীড়ন চালানো যায় বিভিন্ন উপায়ে। নিজের লোকেদের হাতেই মানসিক নিপীড়নের শিকার হন অধিকাংশ মানুষ।

আবার মানসিক নিপীড়নের শিকার হলেও, তা বুঝতে সময় লেগে যায় অনেকের। কিন্তু গোড়া থেকে সচেতন থাকলে ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।

আপনি হয়ত মনের কথা উগরে দিলেন। কিন্তু সামনের জন কি সেটাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন? আপনি আঘাত পাবেন জেনেও কি তা নিয়ে খোঁচা দেন?

আপনার অনুভূতি, আবেগ তেমন দাগ কাটে না তাঁদের মনে। বরং আপনাকে বাধ্য করেন নিজেকে প্রশ্ন করতে, নিজের অনুভূতিকে প্রশ্ন করতে? আপনি কাঁদলে তাঁরা হাসাহাসি করেন কি?

আপনি কার সঙ্গে কথা বলবেন, কার সঙ্গে মিশবেন, কোথায় যেতে পারবেন, কোথায় যেতে পারবেন না, সব কি তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করেন?

আপনার চেহারা, পোশাক, সবকিছুরই কি সমালোচনা করেন তাঁরা। ওজন, উচ্চতা নিয়ে কটাক্ষ করেন সুযোগ পেলেই।

আপনি কত টাকা আয় করছেন, কোথায় ব্যয় করছেন, সবকিছুর উপর নজর তাঁদের। এমনকি নিজের রোজগারের টাকা, নিজেরই প্রয়োজনে খরচ করার অনুমতি নেই আপনার।

ঝগড়া বা তর্কবিতর্কের সময় কি হুমকি পান? আপনাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেন তাঁরা? আপনার পছন্দের মানুষ সম্পর্কে কটূক্তি করেন আপনাকে আঘাত করতে?

কিছু খারাপ ঘটলেই কি আপনাকে দোষারোপ করেন তাঁরা? এমনকি নিজের খারাপ আচরণের দোষও কি আপনার উপর চাপানো হয়?
Published at : 26 Nov 2025 07:36 AM (IST)
আরও জানুন লাইফস্টাইল-এর
আরও দেখুন
